করোনা সংক্রান্ত সেবার জন্য নিম্নের হট-লাইন/হেল্প-লাইন নাম্বার-এ যোগাযোগ করুন (Now Closed):

স্বাস্থ্য তথ্য এর (পরামর্শ) জন্য ফোন করুন*

+১৪০৩৭০২৪৯৩৯ (হুয়াটস আপ), +১৪০৩৯১৮২৯৮১.

মানবিক সহায়তার: *

(বিজ্ঞপ্তিঃ  শৈলীর আর্থিক/খাদ্য সহায়তা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আপাতত নতুন কারোকে সাহায্য প্রদান করা হবে না। তবে আমাদের স্বাস্থ্য সেবার (পরামর্শ) হেল্প-লাইন নাম্বার যথারীতি খোলা থাকবে।)

Food Box Application (Closed now)

ইমেইল: info@shoilyfoundation.org

*বিঃ দ্রঃ ১। এই সুবিধা শুধু তাদের জন্য যারা কানাডার স্বাস্থ্য অথবা মানবিক সহায়তা পাওয়া থেকে বঞ্চিত! কানাডার সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন এমন কেউ এই সহায়তার যোগ্য বিবেচিত হবেন না। ২। এই সহায়তা শুধুমাত্র কানাডায় অবস্থানকারী বাংলাদেশি বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রী এর জন্য প্রযোজ্য। ৩। সাহায্যগ্রহীতার তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। ৪। প্রয়োজনে আমাদের সাথে ইমেইল (info@shoilyfoundation.org) এও যোগাযোগ করতে পারেন। ৬। প্রোজেক্ট টি সম্পূর্ণভাবে শৈলী ফাউন্ডেশন-এর নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত। আপনারা কেউ সহায়তা করতে চাইলে (info@shoilyfoundation.org) এই ইমেইল এ যোগাযোগ করুন।

আমাদের উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম

করোনাভাইরাসের কারণে যে সকল কর্মজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে খাদ্য সমস্যায় আছেন, যারা লজ্জায় সরাসরি সহায়তা নিতে চান না তাদের কথা ভেবে হটলাইন চালু করেছে শৈলী ফাউন্ডেশন। মানবিক কারণে মানুষের পাশে সহায়তা নিয়ে দাঁড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে শৈলী ফাউন্ডেশন। যদি কেউ সরকারি সহায়তা থেকে বাদ পড়ে বা কেউ তালিকায় নাম লেখায়নি লোকলজ্জার ভয়ে কিংবা কোনো না কোনোভাবে তালিকায় নাম আসেনি, কিন্তু তার সহায়তা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিদের কথা ভেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপশি স্বাস্থ্য তথ্যর জন্য সরাসরি বাংলাদেশী ডাক্তারদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

করোনা দূর্যোগে শৈলী ফাউন্ডেশনের ক্ষুদ্র প্রয়াসে আপনাদের সকলকে অংশগ্রহন করার জন্য সবিনয়ে নিবেদন করছি। সকল বন্ধুবান্ধব, ভাইবোন, শুভাকাঙ্খি ও সহকর্মী-শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করছি যারা প্রকৃত অসহায় দিনমজুর, যারা কারো কাছে ত্রান পাচ্ছে না, না খেয়ে দিনরাত্রি যাপন করছে; এমনকি তারা নিম্ন মধ্যবিত্ত হতে পারে। তাদের নাম ঠিকানা আমাদেরকে জানাতে শৈলী ফাউন্ডেশনের দেয়া মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য সবিনয়ে আহ্বান করছি। আমরা শৈলী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তাদের সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করব তা হতে পারে খাদ্য, আর্থিক, রোগ-প্রতিরোধ সামগ্রি অথবা অন্যান্য কোনও মানবিক বিষয় সংক্রান্ত। সকল বন্ধুবান্ধব, ভাইবোন, শুভাকাঙ্খি ও আমার প্রাক্তন-বর্তমান সহকর্মী-শিক্ষার্থীদের সকলে যেন আমাদের উদ্যেগটা জানতে পারে এই জন্য পোস্টটি পড়ার ও শেয়ার করার জন্য সবিনয়ে নিবেদন করছি।
 
সুবিধা এক। আপনারা সরাসরি কোন বাংলাদেশী ডাক্তারদের সাথে কথা বলতে পারবেন।
সুবিধা দুই। কোন মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন, তা হতে পারে খাদ্য, আর্থিক, অথবা অন্যান্য কোনও মানবিক বিষয় সংক্রান্ত।পাশাপাশি এই ওয়েবপেজ থেকে আপনারা সরাসরি WHO কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য পাবেন। কেউ সহায়তা করতে চাইলে (info@shoilyfoundation.org) এই ইমেইল এ যোগাযোগ করুন। বাসায় থাকুন, সুস্থ থাকুন ও ভাল থাকুন!

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) - রোগ সম্পর্কিত তথ্য

কোভিড-১৯ এক নতুন রোগ যা আপনার ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর ক্ষতি করতে সক্ষম। করোনা ভাইরাস নামক ভাইরাসের কারণে এ রোগ হয়ে থাকে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন এর হুবেই প্রদেশের উহান শহরে এ রোগ প্রথম দেখা যায়। এ রোগের সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শ্বাসযন্ত্রের রোগের লক্ষণের ন্যায় শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা, জ্বর, কাশি এবং সহজে হাঁপিয়ে যাওয়া। রোগের সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে নিউমোনিয়া, সিভিয়ার একিউট রেসিপিটরি সিন্ড্রোম, কিডনীর কাজ করা বন্ধ হয়ে যাওয়া এমনকি মৃত্যু ঘটাতে পারে। এ রোগের সংক্রমণ এড়াতে নিয়মিত সাবান/এলকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা, হাঁচি বা কাশির সময় নাক ও মুখ ঢেকে ফেলা, ডিম ও মাংস অধিক সময় ধরে সিদ্ধ করে রান্না করা এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগের লক্ষণ যেমন হাঁচি কাশি আছে এমন ব্যক্তির সংস্পর্শে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন

সাবান এবং পানি অথবা অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ডরাব দিয়ে ভালোভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে নিয়মিত নিজের হাত পরিষ্কার করুন ।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন

যদি কেউ কাশি অথবা হাঁচিরত অবস্থায় থাকে তাহলে তার থেকে সর্বনিম্ন ২৭ ফিট (এটা ৬ ফুট নয়) দূরত্ব বজায় রাখুন। মনে রাখবেন যত কাছে থাকবেন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা তত বেশি থাকবে।

নিজের মুখ স্পর্শ থেকে বিরত থাকুন

আমাদের হাত অনেক কিছু স্পর্শ করে বলে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভবনা থাকে। তাই হাত থেকে ভাইরাস আপনার চোখ, নাক অথবা মুখে চলে যেতে পারে এবং আপনাকে অসুস্থ করে দিতে পারে।

শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন

হাঁচি অথবা কাশির সময় মুখ এবং নাক টিস্যু অথবা কনুই এর ভাঁজে ঢেকে রাখার মত ভালো শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন।

নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন

হাঁচি / কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু দিয়ে আপনার নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন (ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন)। টিস্যু না থাকলে আপনার কনুই এর বিপরীত পাশ দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকুন।

অসুস্থ হলে ফেইস মাস্ক পড়ুন

অসুস্থ হলে অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসবেন এরূপ স্থানে (অন্য মানুষ থাকবে এমন ঘর বা যানবাহনে) ও হাসপাতালে প্রবেশের পূর্বে মাস্ক পরিধান করেন।

কোভিড-১৯ এর লক্ষণ/ উপসর্গ

কোভিড-১৯ হয়েছে কিনা বুঝতে হলে সাধারণত জ্বর, ক্লান্তিময় ভাব এবং শুকনা কাঁশি উপসর্গ গুলো ধর্তব্যের মধ্যে আনতে হবে। কিছু রোগীদের মাঝে গায়ে ব্যথা, শ্বাসনালী সংক্রমন, সর্দি, গলা ব্যথা, ডায়ারিয়াও দেখা দিতে পারে। এই উপসর্গগুলো শুরুতে হালকা ভাবে শুরু হয়ে পরবর্তীতে ধীরে ধীরে আরো বাড়তে থাকে। এমনও দেখা যায় যে সংক্রমিত হওয়ার ২ থেকে ১৪ দিন পরেও এই উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে।

তীব্র জ্বর

বুকে ও পিঠে স্পর্শ করলেই গরমভাব টের পাওয়া যাবে (থার্মমিটার দিয়ে মাপতে হবে না)। ২ থেকে ১০ দিনের মধ্য এই জ্বর জ্বর বোধ হওয়াই স্বাভাবিক। জ্বর জ্বর বোধ হওয়া কোভিড-১৯ এর বিভিন্ন উপসর্গের একটি।

সারাক্ষণ কাঁশি

এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে অনেকবার কাঁশি হতে থাকা, এমনকি সারাদিন-রাত ধরে কাঁশতেই থাকা। এমন যদি হয় কারো আগে থেকেই কাঁশি থাকে তাহলে সেই কাঁশির মাত্রা আরো খারাপ ভাবে বেড়ে যাওয়া।

শ্বাস নিতে কষ্টবোধ হওয়া

কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এমন ৬ জনের মধ্যে ১ জন খুব তাড়াতাড়ি ভীষনভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শ্বাসকষ্টে ভুগেন।

সাবধান থাকুন। সুরক্ষিত থাকুন। করোনা ভাইরাস এর চিকিৎসা

এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ নেই। এরপরেও, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসাসেবা নেয়া উচিত। গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হতে পারে। বেশীরভাগ রোগী সঠিক চিকিৎসা এবং যত্নে সুস্থ হয়ে উঠে।

অ্যান্টিবায়োটিক এক্ষেত্রে সাহায্য করে না, যেহেতু তা ভাইরাসের বিরুধ্যে কাজ করতে পারে না। বর্তমান চিকিৎসা রোগের উপসর্গ উপশম করার চেষ্টা করে যখন রোগীর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাইরাসেরবিরুধ্যে লড়াই করে। রোগীকে আইসোলেসন এ থাকতে হবে, অন্যদের থেকে দূরে থাকতে হবে যতদিন না সুস্থ হন।

নিজের সুরক্ষা

আপনার যদি উপসর্গগুলো হাল্কা ভাবে দেখা দেই, আপনার সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ঘরে থাকা জরুরি। আপনার উপসর্গ উপশম হবে যদি আপনিঃ

  • যথেষ্ট বিশ্রাম নেন
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেন
  • গরম পানি দিয়ে গোছল ও গলা ব্যথার জন্য গড়গড়া করেন
চিকিৎসা

আপনার যদি জ্বর, কাশি এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়, দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন। প্রয়োজনে আগে থেকে আপনার চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আপনি যদি সম্প্রতি দেশের বাইরে গিয়ে থাকেন বা দেশের বাইরে গিয়েছে এমন কারও সংস্পর্শে এসে থাকেন তা জানান।

  • এখনো কোনও চিকিৎসা নাই
  • এখনো কোনও প্রতিষেধক নাই

বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্ত-এর সংখ্যাঃ

বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত - ৯২১,১৪৬
90%
মৃত্যু - ৪৬,১০৫
20%
সুস্থ - ১৯৩,৮২৪
40%

* সর্বশেষ হালনাগাদ: ১ এপ্রিল ২০২০, ১১:৪৬ জিএমটি +৬

বাসায় থাকুন ও হাত ধুয়ে নিন!

নিজ বাসায় থাকুন এবং ডাক্তারের সাহায্যে নিন: উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আপনি যদি মনে করেন, আপনি কোভিড -১৯ রোগে আক্রান্ত এবং আপনার জ্বর জ্বর বোধ হচ্ছে, কাঁশি হচ্ছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তাহলে স্বাস্হ্যসেবা পাওয়ার জন্য দ্রুত স্বাস্থ্যকর্মীকে ফোন করুন।

সাধারণ তথ্যচিত্র

অন্যদের বাঁচাতে নিম্নের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করুন।

  • অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন – অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য বাহিরে যাওয়া ব্যতীত বাড়িতে থাকুন।
  • আপনার নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন – হাঁচি / কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু দিয়ে আপনার নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন (ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন)। টিস্যু না থাকলে আপনার কনুই এর বিপরীত পাশ দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকুন।
  • অসুস্থ হলে ফেইস মাস্ক পড়ুন – অসুস্থ হলে অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসবেন এরূপ স্থানে (অন্য মানুষ থাকবে এমন ঘর বা যানবাহনে) ও হাসপাতালে প্রবেশের পূর্বে মাস্ক পরিধান করেন।
  • ঘন ঘন স্পর্শ করা হয় এমন স্থান ও বস্তু দৈনিক পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করুন – ঘন ঘন স্পর্শ করা হয় এমন স্থান ও বস্তু যেমনঃ মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, লাইটের সুইচ, টেবিলের উপরিভাগ, বিভিন্ন বস্তুর হাতল, ডেস্ক, টয়লেট, পানির কল এবং বেসিন ইত্যাদি প্রতিদিন পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করুন।
  • ঘন ঘন ময়লা হয় এরূপ স্থান জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার রাখুন – ঘন ঘন ময়লা হয় এরূপ স্থান ডিটারজেন্ট অথবা সাবান ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করে জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।
  • নিজ এলাকার কোভিড-১৯পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত থাকুন – আপনার এলাকার কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য গণস্বাস্থ্য কর্মীর নিকট হতে সংগ্রহ করুন।
  • নির্দিষ্ট পলিথিন দেওয়া ময়লার ঝুড়ি – অসুস্থ ব্যক্তির জন্য সম্ভব হলে পলিথিন দেওয়া ময়লার ঝুড়ি নির্দিষ্ট করে দিবেন। ময়লা সরানো এবং ফেলে দেওয়ার সময় গ্লাভস ব্যবহার করবেন।

Healthy Food Distribution Program in Canada (Closed now)

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পাঠানো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও করণীয়

প্রাণী বা মানুষের দেহে অসুস্থতার কারণ হতে পারে এমন ভাইরাসগুলির একটি বৃহৎ পরিবার করোনা ভাইরাস। বিভিন্ন করোনভাইরাস মানব দেহে সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে মারাত্মক শ্বাসতন্ত্রের রোগ তৈরি করতে পারে যেমন মধ্য প্রাচ্যের রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম (এমআরএস) এবং গুরুতর তীব্র শ্বাসতন্ত্র সিন্ড্রোম (এসএআরএস)। এর মতো আরও মারাত্মক রোগ থেকে শুরু করে শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণ ঘটায় বলে জানা যায়।
অতি সম্প্রতি সন্ধান পাওয়া করোনাভাইরাস করোনাভাইরাস রোগ ”COVID-19” তৈরি করে।

অতি সম্প্রতি আবিষ্কৃত হওয়া করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রামক রোগ এর নাম COVID-19। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে পর্য্ন্ত এই নতুন ভাইরাস এবং রোগটি অজানা ছিল।

COVID-19 এর সাধারণ লক্ষণগুলি হল জ্বর, ক্লান্তি এবং শুকনো কাশি। কিছু রোগীর শরীর ব্যথা সর্দি এবং সর্দিতে নাক বন্ধ হওয়া, গলা ব্যথা এবং ডায়রিয়া হতে পারে। সাধারণত এই লক্ষণগুলি হালকা হয় এবং ধীরে ধীরে শুরু হয়। কিছু লোক সংক্রামিত হয় তবে তাদের মাঝে কোনও লক্ষণ দেখা যায়না এবং অসুস্থও বোধ করে না। বেশিরভাগ লোক (প্রায় ৮০%) বিশেষ চিকিৎসা ছাড়াই সেরে ওঠে। প্রতি ৬ জনের মধ্যে ১ জন COVID-19 আক্রান্ত ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং শ্বাস কষ্টে অনুভব করে। বয়স্ক ব্যক্তিরা এবং যাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো রোগ আছে তাদের গুরুতর অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যাদের জ্বর, কাশি এবং শ্বাস কষ্ট আছে তাদের চিকিৎসা সহায়তা নেওয়া উচিৎ।

ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের কাছ থেকে অন্যরা COVID-19 এ সংক্রামিত হতে পারে। COVID-19 আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির সময় নাক বা মুখ থেকে নিঃসৃত ছোট ছোট ফোঁটাগুলির মাধ্যমে এই রোগটি একজন থেকে অন্য জনের মাঝে ছড়ায়। এই ফোঁটাগুলি ব্যক্তির চারপাশে বস্তু এবং পৃষ্ঠের উপর পড়ে। অন্যারা উক্ত বস্তু বা পৃষ্ঠগুলিকে স্পর্শ করার পরে তাদের চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করে COVID-19 এ সংক্রামিত হয়। লোকেরা COVID-19 আক্রান্ত ব্যক্তির হাচি-কাশির ফোটা নিশ্বাসের এর সাথে গ্রহন করলে COVID-19 সংক্রামিত হতে পারে। এজন্যই অসুস্থ ব্যক্তি থেকে ১ মিটার (৩ ফুট) বেশি দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
ডব্লিউএইচও, কোভিড -১৯ কীভাবে ছড়াচ্ছে সে সম্পর্কে গবেষণা চালাচ্ছে এবং হালনাগাদ ফলাফল সবার সাথে ভাগাভাগি করছে।

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকে বোঝা যায় যে COVID-19 মূলত্ব বাতাসের পরিবর্তে শ্বাস প্রশ্বাসের ফোঁটার মাধ্যমে অথবা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। 

প্রধানত এই রোগটি কাশি বা শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে বের হওয়া ফোঁটার মাধ্যমে ছড়ায়। কোন লক্ষণ নেই এমন কারও কাছ থেকে COVID-19 ধরার ঝুঁকি খুব কম। তবে, এ আক্রান্ত অনেকেই হালকা লক্ষণ অনুভব করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে COVID-19এ আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এরূপ হয়। তাই মৃদু কাশি অথবা হালকা অসুস্থ ব্যক্তি থেকেও COVID-19 ছড়াতে পারে। ডব্লিউএইচও, কোভিড -১৯ সংক্রমণের সময়কাল নিয়ে নিরীক্ষা করছে এবং প্রাপ্ত তথ্য সবার সাথে ভাগাভাগি করতে থাকবে।

সংক্রামিত ব্যক্তির মল থেকে COVID-19 সংক্রামিত হবার ঝুঁকি কম বলে মনে করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে ভাইরাসটি কিছু ক্ষেত্রে মলে থেকে যেতে পারে, এভাবে ছড়িয়ে পড়া এই প্রকোপের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। ডব্লিউএইচও, কোভিড -১৯ সংক্রমণের পথ নিয়ে নিরীক্ষা করছে এবং প্রাপ্ত তথ্য সবার সাথে ভাগাভাগি করতে থাকবে। কারণ এটি ঝুঁকিপূর্ণ, তাই বাথরুম ব্যবহার করার পরে এবং খাওয়ার আগে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

সকলের জন্য সুরক্ষা COVID-19 প্রাদুর্ভাবের সর্বশেষ তথ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন যা ডব্লিউএইচও ওয়েবসাইটে এবং নিজ দেশের জাতীয় এবং স্থানীয় জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পাওয়া । বিশ্বজুড়ে অনেক দেশ COVID-19 এর রোগীর লক্ষণ এবং প্রাদুর্ভব দেখেছে। চীন এবং অন্যান্য কয়েকটি দেশের কর্তৃপক্ষগুলি প্রাদুর্ভাবের বিস্তার ধীরগতিতে এনেছে বা বন্ধ করতে সফল হয়েছে। যাহোক, পরিস্থিতিটি অনিশ্চিত, তাই নিয়মিত সর্বশেষ খবরের উপর চোখ রাথুন।

করোনাভাইরাস ভাইরাসের একটি বৃহৎ পরিবার যা সাধারনত প্রাণীদের দেহে থাকে । মাঝে মাঝে মানুষ এই ভাইরাসগুলি দ্বারা সংক্রামিত হয় যা পরে অন্য লোকেদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ, SARS-CoV সিভেট বিড়ালের সাথে যুক্ত ছিল এবং MERS-CoV ড্রোমডারি উট দ্বারা সংক্রমণিত হয়েছিল। COVID-19 এর সম্ভাব্য প্রাণীর উৎস এখনও নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি।
নিজেকে রক্ষার জন্য, জীবন্ত পশুর বাজারগুলিতে, প্রাণী এবং পশুর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। সর্বদা জীবানুমুক্ত সুষম খাদ্য নিশ্চিত করুন। দুষন এড়াতে সতর্কতার সাথে দুধ, কাঁচা মাছ মাংস অরাঁধা খাবার নাড়াচাড়া করুন এবং কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ খাবার পরিহার করুন।

না। এর কোনও প্রমাণ নেই যে পোষা প্রাণী যেমন বিড়াল এবং কুকুর এর মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে যা COVID-19-এর কারণ হতে পারে।

এটি নিশ্চিত নয় যে COVID-19-এর ভাইরাস কতক্ষণ জিনিসের পৃষ্ঠে ওপর বেঁচে থাকতে পারে। তবে এর আচরন অন্যান্য করোনা ভাইরাসের মত। গবেষণায় দেখা গেছে যে করোনভাইরাসগুলি (সিওভিড -১৯ ভাইরাস সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য) কয়েক ঘন্টা থেকে বেশ কয়েক দিন পর্যন্ত জিনিসের উপর বেঁচে থাকতে পারে। এটি বিভিন্ন অবস্থার ওপর বিভিন্ন হতে পারে (উদাঃ পৃষ্ঠের ধরণ, তাপমাত্রা বা পরিবেশের আর্দ্রতা)।
আপনি যদি ভাবেন যে কোনও বস্তুপৃষ্ঠ সংক্রামিত হতে পারে তবে নিজের এবং অন্যদের সুরক্ষার জন্য সাধারণ জীবাণুনাশক দিয়ে ভাইরাসটি মেরে ফেলার জন্য এটি পরিষ্কার করুন। অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে আপনার হাত পরিষ্কার করুন বা সাবান জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার চোখ, মুখ বা নাক
স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।

হ্যাঁ। কোনও সংক্রামিত এলাকা থেকে বাণিজ্যিক পণ্যগুলিকে সংক্রামিত হবার সম্ভাবনা কম এবং ভ্রমণের সময় বিভিন্ন অবস্থার ও তাপমাত্রার সংস্পর্শে এসেছে সেগুলি থেকে কোভিড -১৯-এর করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।

• নিয়মিত এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আপনার দুই হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন (কম পক্ষে ২০ সেকেন্ড) বা হ্যান্ড স্যানিতাইজার (অ্যালকোহল ভিত্তিক) দিয়ে আপনার হাত পরিষ্কার করুন । কারণ, সাবান ও পানি দিয়ে বা অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিতাইজার আপনার হাতের ভাইরাসকে মেরে ফেলে।
• কাশি বা হাঁচি দিচ্ছে এমন কারও থেকে নিজেকে কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) দুরত্বে রাখুন। কারণ যখন কেউ কাশি বা হাঁচি দেয় তখন তাদের নাক বা মুখ থেকে ছোট তরল ফোঁটা ছড়িয়ে পড়ে যার মধ্যে ভাইরাস থাকতে পারে। যদি আপনি খুব কাছাকাছি থাকেন, তবে আপনিও ঐ ব্যক্তির থেকে কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হতে পারেন।
• চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন। কারণ, হাত অনেক জিনিসকে স্পর্শ করে এবং তাতে ভাইরাস হাতে আসতে পারে। হাতে জীবাণু থাকলে, আপনার হাত থেকে চোখ, নাক বা মুখ এ ভাইরাস স্থানান্তর হতে পারে। সেখান থেকে ভাইরাসটি আপনার দেহে প্রবেশ করতে পারে এবং আপনাকে অসুস্থ করতে পারে।
• নিশ্চিত হোন যে আপনি এবং আপনার চারপাশের লোকেরা হাঁচি-কাশি সিষ্টাচার মেনে চলছেন। এর অর্থ আপনার যখন কাশি বা হাঁচি দেন তখন আপনার বাঁকানো কনুই বা টিস্যু দিয়ে আপনার মুখ নাক ঢেকে রাখছেন। তারপরে অবিলম্বে ব্যবহৃত টিস্যুগুলি ফেলে দিচ্ছেন। কারণ ছোট ছোট ফোঁটা ভাইরাস ছড়ায়। ভাল হাঁচি কাশি সিষ্টাচার মেনে চললে আপনি আপনার চারপাশের লোকজনকে যেমন ঠান্ডা, ইনফ্লুয়েন্জা এবং COVID-19 এর ভাইরাস থেকে রক্ষা করেন।
• আপনার অসুস্থ লাগলে আপনি বাড়িতেই থাকুন। আপনার যদি সর্দি জ্বর-কাশি হয় এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং আগে থেকেই যোগাযোগ করুন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। কারণ জাতীয় ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার অঞ্চলের পরিস্থিতি সম্পর্কে সর্বাধিক যুগোপযোগী তথ্য থাকবে। আগে থেকে যোগাযোগ করলে আপনার স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারীকে দ্রুত আপনাকে সঠিক স্বাস্থ্যসেবা দেবার সুযোগ হবে। এটি আপনাকে ভাইরাস এবং অন্যান্য
সংক্রমণের বিস্তার রোধ করতে সহায়তা করবে।
• সর্বশেষ COVID-19 হটস্পটগুলিতে হালনাগাদ (শহর বা স্থানীয় অঞ্চল যেখানে COVID-19 ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে) করুন । যদি সম্ভব হয় তবে ঐ জায়গাগুলিতে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন – বিশেষত আপনি যদি বয়স্ক ব্যক্তি হন বা ডায়াবেটিস, হার্ট বা ফুসফুসের রোগ থেকে থাকে।
ঝুঁকি নির্ভর করে আপনি কোথায় আছেন – এবং আরও সুনির্দিষ্টভাবে, সেখানে কোনও কভিড -১৯ এর লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কি না তার ওপর । বেশিরভাগ জায়গার লোকজনের মধ্যে COVID-19 এ সংক্রামিত হবার ঝুঁকি এখনও কম। তবে, বিশ্বজুড়ে এখন এমন অনেক জায়গা (শহর বা অঞ্চল) রয়েছে যেখানে এই রোগ ছড়াচ্ছে। এই অঞ্চলগুলিতে বসবাসকারী বা দর্শনার্থীদের ক্ষেত্রে COVID-19 -এ আক্রান্ত হবার ঝুঁকি অনেক বেশি। প্রতিটি COVID-19-র একটি নতুন কেস সনাক্ত করার সময় সরকার এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষগুলি তীব্র পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভ্রমণ, চলাচল বা বড় সমাবেশে অংশ গ্রহনের ব্যাপারে স্থানীয় বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়ে নিশ্চিত হন। রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা
করলে COVID-19 সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস পাবে। দেখা যাচ্ছে চীন এবং অন্যান্য কয়েকটি দেশ কোভিড -১৯ এর প্রাদুর্ভাব এবং সংক্রমণ বন্ধ করতে পারছে। দুর্ভাগ্যক্রমে, নতুন প্রাদুর্ভাব দ্রুত এসে পড়তে হতে পারে। আপনি যে অবস্থাতে আছেন বা যেথায় যেতে চান সে সম্পর্কে সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ডব্লিউএইচও বিশ্বব্যাপী COVID-19 পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিদিনের আপডেট প্রকাশ করে। আপনি আপডেটগুলি দেখতে পারেন এই ওয়েবসাইটেঃ https://www.who.int/emergencies/diseases/novel-
coronavirus-2019/situation-reports/
COVID-19 এ সংক্রমণের অসুস্থ সাধরনত হালকা হয়, বিশেষ করে বাচ্চাদের এবং অল্প বয়স্কদের ক্ষেত্রে। তবে এটি মারাত্মক অসুস্থতারও কারণ হতে পারে। প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জনকে হাসপাতালের সেবার প্রয়োজন হয়। অতএব এটা খুব স্বাভাবিক যে, COVID-19 কীভাবে তাদের এবং তাদের প্রিয়জনকে আক্রান্ত করছে তা নিয়ে চিন্তিত হওয়া । আমরা আমাদের নিজেদেরকে, প্রিয়জন এবং অন্যান্যদের সুরক্ষিত করতে ভূমিকা রাখতে পারি। এই কাজগুলির মধ্যে সর্বপ্রথমে নিয়মিত এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হাত ধোওয়া এবং হাঁচি-কাশি সিষ্টাচার ভালভাবে মেনে চলা।
দ্বিতীয়ত, ভ্রমণ, চলাচল এবং সমাবেশের যে কোনও বিধিনিষেধ সহ স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরামর্শ জেনে, মেনে চলা। নিজেকে সুরক্ষার উপায় জানতে দেখুনঃ https://www.who.int/emergencies/diseases/novel-coronavirus-
2019/advice-for-public

প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রাক-বিদ্যমান চিকিৎসারত (যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ফুসফুসের রোগ, ক্যান্সার বা ডায়াবেটিস) অন্যান্য ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় আরও প্রায়শই COVID-2019 এ সংক্রামিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হতে দেখা যায়।

না। অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না, তারা কেবল ব্যাকটিরিয়া সংক্রমনে কাজ করে। COVID-19 একটি ভাইরাস জ্বনিত রোগ, তাই অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। COVID-19 এর প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটি ব্যবহার করা উচিত নয়। এগুলি কেবল ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের জন্য চিকিৎসকের নির্দেশনায়
ব্যবহার করা উচিত।

যদিও কিছু পশ্চিমা, ঐতিহ্যবাহী বা ঘরোয়া প্রতিকারগুলি কোভিড -১৯ এর লক্ষণগুলি কমাতে পারে বা আরাম দিতে পারে তবুও বর্তমানের কোন ওষুধ রোগটি প্রতিরোধ বা নিরাময় করতে পারে এমন কোনও প্রমাণ নেই। ডব্লিউএইচও -করোনার প্রতিরোধ বা নিরাময়ের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক সহ কোনও ওষুধের পরামর্শ দেয় না। যদিও বেশ কয়েকটি পশ্চিমা এবং ঐতিহ্যবাহী উভয় ওষুধ নিয়ে ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলমান রয়েছে । ডব্লিউএইচও ক্লিনিকাল ফলাফলগুলি পাওয়া মাত্রই তথ্য হালণাগাদ করা চালিয়ে যাবে।

না, আজ অবধি, COVID-19 এর প্রতিরোধ বা চিকিৎসার জন্য কোনও ভ্যাকসিন এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। তবে, আক্রান্তদের লক্ষণগুলি থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যত্ন নেওয়া উচিত। গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তি করা উচিত। সহায়ক চিকিৎসায় বেশীর ভাগ রোগীই স্বুস্থ হচ্ছে। সম্ভাব্য কিছু টিকা এবং কিছু নির্দিষ্ট ড্রাগ বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। ক্লিনিকাল ট্রায়ালের মাধ্যমে তাদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। ডাব্লুএইচও, কোভিড -১৯ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ভ্যাকসিন এবং ওষুধ আবিষ্কারের প্রচেষ্টার সমন্নয় চালিয়ে যাচ্ছে।
COVID-19 এর থেকে নিজেকে এবং অন্যদের রক্ষার সর্বাধিক কার্যকর উপায় হল ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করা, কাশির সময়ে কনুই বা টিস্যুর দিয়ে ঢেকে রাখা এবং কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) দূরত্ব বজায় রেখে বা হাঁচি বা কাশি দেওয়া। (নতুন করোনভাইরাস বিরুদ্ধে প্রাথমিক সুরক্ষা ব্যবস্থা দেখুন)।
না। কোভিড -19-এর ভাইরাস এবং ২০০৩ সালে যে গুরুতর ভাইরাস SARS (এসএআরএস) এর প্রাদুর্ভাব ঘটে তারা জিনগতভাবে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত, তবে এদের থেকে যে রোগগুলি সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো একেবারেই আলাদা।
SARS ভাইরাস কোভিড -১৯ এর চেয়ে বেশি মারাত্মক তবে সংক্রামক খুব কম ছিল। ২০০৩ সাল থেকে সারা বিশ্বে কোথাও এমন মহামারী আকারে SARS এর প্রাদুর্ভাব ঘটেনি।
আপনি যদি COVID-19 উপসর্গগুলি (বিশেষত কাশি) অনুভব করেন বা যার কাছে কোভিড -১৯ আছে তার দেখাশোনা করেন তাহলে মাস্ক পরুন। ডিসপোজেবল ফেস মাস্ক কেবল একবারই ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি যদি অসুস্থ না হন বা অসুস্থ ব্যক্তির দেখাশোনা না করেন তবে আপনি একটি মাস্ক নষ্ট করছেন। বিশ্বব্যাপী মাস্কের ঘাটতি রয়েছে, তাই ডব্লিউএইচও জনগণকে বুঝেশুনে মাস্ক ব্যবহার করতে অনুরোধ করেছে।
ডব্লিউএইচও মূল্যবান সম্পদের অপ্রয়োজনীয় অপচয় এবং মাস্কের অপব্যবহার এড়াতে সার্জিকাল মাস্কের যৌক্তিক ব্যবহারের পরামর্শ দেয় (মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেখুন)।
COVID-19 এর থেকে নিজেকে এবং অন্যদের রক্ষার সর্বাধিক কার্যকর উপায় হল ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করা,
কাশির সময়ে কনুই বা টিস্যুর দিয়ে ঢেকে রাখা এবং কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) দূরত্ব বজায় রেখে বা হাঁচি বা কাশি দেওয়া। (নতুন করোনভাইরাস বিরুদ্ধে প্রাথমিক সুরক্ষা ব্যবস্থা দেখুন)।
১. মনে রাখবেন, মাস্ক কেবল স্বাস্থ্যকর্মী এবং শ্বাসকষ্টের লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিঃ যেমন জ্বর এবং কাশি আছে তাদের ব্যবহার করা উচিত।
২. মাস্ক স্পর্শ করার আগে, অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজার বা সাবান পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন।
৩. মাস্কটি নিন এবং ছেড়া বা ছিদ্রের আছে কি না পরীক্ষা করুন।
৪. দেখে নিনে উপরের অংশ কোন দিকে (যেপাশে ধাতব স্ট্রিপটি রয়েছে)।
৫. মাস্কটির রঙিন দিক মুখের বাইরের দিকে পরুন
৬. মাস্কটি আপনার মুখের উপর রাখুন। মাস্কটির ধাতব স্ট্রিপ বা শক্ত প্রান্তটি চিমটি করে ধরুন যাতে করে শক্ত প্রান্তটি নাকের সাথে খাপ খেয়ে যায়।
৭. মাস্কটির নীচে টানুন যাতে এটি আপনার মুখ এবং আপনার চিবুকটি ঢেকে রাখে।
৮. ব্যবহারের পরে, মাস্কটি খুলে ফেলুন; মাস্কটির সম্ভাব্য দূষিত পাশের স্পর্শ এড়াতে আপনার মুখ এবং কাপড়
থেকে মাস্ক দূরে রাখার সময় কানের পিছন থেকে ইলাস্টিক লুপগুলি সরিয়ে ফেলুন।
৯. ব্যবহারের পরে অবিলম্বে একটি ময়লার বিনে ফেলে দিন।
১০. মাস্ক স্পর্শ করে বা ফেলে দেবার পর হাত অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করুন বা
যদি দৃশ্যমান ময়লা থাকে তবে আপনার হাত সাবান ও জলে ধুয়ে নিন।

ভাইরাস দ্বারার আক্রান্ত হওয়া এবং রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়ার মধ্যকরা সময়। অনুমান করা হয় COVID-19 -এ আক্রান্ত হওয়ার সময়কাল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ১-১৪ দিন। সাধারণত পাঁচ দিনের মধ্যে হয়। আরও তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে এগুলা হালনাগাদ করা হবে।

নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি COVID-2019 এর বিরুদ্ধে কাজ করে না বরং ক্ষতিকারক হতে পারে:
• ধূমপান
• একাধিক মাস্ক পরা
• ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ
যেকোনো ক্ষেত্রে, যদি আপনার জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হয় তবে আরও গুরুতর সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে আপনার সাম্প্রতিক ভ্রমণের সম্পর্কে অবহিত করুন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা

আমাদের সম্পর্কে জানুন

বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য সাধারণ তথ্যসেবা প্রদানকারী রিসোর্স সেন্টার শৈলী ফাউন্ডেশন – হেল্পলাইন। বাংলা ভাষাভাষীদের করোনা বিষয়ক সমস্যার সঠিক সমাধানের ভেরিফায়েড তথ্য এখন একটি ঠিকানায়। শৈলী ফাউন্ডেশন – হেল্পলাইন বর্তমানে বাংলা ভাষাভাষীদের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সাধারণ তথ্যসেবা প্রদান করছে।

Shoily Foundation is registered Not-for-profit organization under the Canada Corporation with the Corporation number 1197425-4, by the Government of Canada. The business number is 740107933RC0001. Shoily Foundation is working on advancing the science education to empower the new generation. 

Donate us: http://shoilyfoundation.org/donate/

Website: http://shoilyfoundation.org/

Food Distribution Program (Closed now): https://redirect.is/agyehm

Email: info@shoilyfoundation.org